Academy

ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী রনি। তার মামা নয় বছর পরে বিদেশ থেকে তাদের বাড়িতে বেড়াতে এসেছেন। তিনি বিমানবন্দর থেকে আসার পথে রাস্তার পাশের বিভিন্ন দেয়ালে নানা ধরনের ছবি, কার্টুন, পোস্টারসহ অনেকরকম লেখা দেখেছেন। এগুলো দেখে তিনি ভাবলেন, দেশে না এলে ২০২৪-এর আন্দোলন সম্পর্কে কখনোই এতটা স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেত না। রনি তার মামাকে জানায়, এগুলো যারা সৃষ্টি করেছেন তাদের অনেকেই স্বৈরাচারের নির্যাতনের শিকার হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, কেউ কেউ শহিদও হয়েছেন।

একটি বাক্য কীভাবে হাজার মানুষের মুক্তির প্রেরণা হয়ে ওঠে? (অনুধাবন)

Created: 8 months ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago
Ans :

একটি বাক্য যখন গণবিরোধী শাসকের বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদকে ধারণ করে তখন তা হাজার মানুষের মুক্তির প্রেরণা হয়ে ওঠে।

শাসকশ্রেণি যখন স্বৈরাচারী হয়ে মানুষের অধিকার হরণ করে তখন মানুষ প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। জনতার সঙ্গে মিছিল-সমাবেশে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি চিত্রশিল্পীরা কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র ও পোস্টার আঁকার মাধ্যমে মুক্তিকামী জনতাকে মুক্তির মন্ত্রে উজ্জীবিত করেন। তাঁরা তাঁদের চিত্রকর্মে যেসব বাক্য ব্যবহার করেন সেগুলোতে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার পূর্ণ প্রতিফলন ঘটে। ফলে এগুলো মানুষকে প্রবলভাবে আকর্ষণ করে। এভাবেই একটি বাক্য হাজার মানুষ মুক্তির প্রেরণা হয়ে ওঠে।

8 months ago

কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র ও পোস্টারের ভাষা

আমরা নানাভাবে মতপ্রকাশ করি। কথা বলে, লিখে, ছবি এঁকে, গান গেয়ে আরো অনেক উপায়ে আমরা মনের ভাব প্রকাশ করতে পারি। কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র ও পোস্টার এরকম কয়েকটি মাধ্যম। এগুলো নির্মল হাসির উপাদান হতে পারে, আবার হাসির মাধ্যমে সমাজের নানা অসংগতিও প্রকাশ করা যায়। শুধু তাই নয়, অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতেও কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র ও পোস্টার ব্যবহার করা হয়। পৃথিবীর কোনো দেশে যখন বড়ো আন্দোলন হয়, তখন চিত্রশিল্পীরা কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র ও পোস্টার আঁকার মাধ্যমে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। এগুলোকে বলা যায় রাজনৈতিক কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র বা পোস্টার। এগুলো আন্দোলনে শক্তি জোগায় এবং মানুষকে আরো উজ্জীবিত করে।

অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও অনেক বড়ো বড়ো আন্দোলন-সংগ্রাম হয়েছে, গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। নানা শ্রেণি-পেশা আর মতের মানুষ নেমে এসেছে রাস্তায়। তখন আমাদের চিত্রশিল্পীরাও এগিয়ে এসেছেন। তাঁরা মিছিল-মিটিং করেছেন, অন্যদের সাথে নানা কর্মসূচি পালন করেছেন। তবে অন্যদের চেয়ে আলাদা একটা কাজও করেছেন তাঁরা কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র ও পোস্টার এঁকে আন্দোলনকে শক্তিশালী করেছেন।

একটা কার্টুনের ছোট্ট ছবিতে প্রতিবাদের বা বিদ্রোহের যে প্রকাশ ঘটে, অনেক সময় হাজার কথায় তা প্রকাশ করা যায় না। অনেক সময় কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র বা পোস্টারের ছবি আন্দোলনের প্রতীক হয়ে ওঠে। বহু মানুষ তাতে মনের ভাষা খুঁজে পায়। আন্দোলন গড়ে ওঠার জন্য সেগুলো শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত বারবার এটা দেখা গেছে। এসব আন্দোলন-সংগ্রামে বহু কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র ও পোস্টার আঁকা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সারা দেশের দেয়ালে দেয়ালে অসংখ্য গ্রাফিতি আঁকা হয়েছে।

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সময় শেখ তোফাজ্জল হোসেনের আঁকা একটি কার্টুনে দেখা যায়, একটি গরু ঘাস খাচ্ছে পূর্ব পাকিস্তানে, কিন্তু তার দুধ চলে যাচ্ছে পশ্চিম পাকিস্তানে। তখন আমাদের দেশের নাম ছিল পূর্ব পাকিস্তান। আমাদের দেশকে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকেরা শোষণ করতো। শোষণের কথাটা তিনি এভাবে প্রকাশ করেছেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় নিতুন কুণ্ডুর আঁকা একটি পোস্টার 'সদা জাগ্রত বাংলার মুক্তিবাহিনী' বিভিন্ন স্থানে লাগানো দেখলে সাধারণ মানুষ আশার আলো দেখতে পেত, আর পাকিস্তানি সৈন্যরা ভয় পেত।

১৯৯০ সালে স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানের আগে 'দেশ আজ বিশ্ব বেহায়ার খপ্পরে' শিরোনামে একটা ব্যঙ্গচিত্র এঁকেছিলেন পটুয়া কামরুল হাসান। সেটা তখন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছিল। একটি ছবি আর একটিমাত্র বাক্য দেশের মানুষের জন্য অসাধারণ প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছিল।

গণবিরোধী শাসকেরা কার্টুন আঁকার জন্য অনেক সময় শিল্পীদের নির্যাতন করে, জেলখানায় বন্দি করে রাখে, এমনকি হত্যাও করে। এইসব ভয়ভীতি উপেক্ষা করেও অনেক চিত্রশিল্পী ছবি ও কার্টুন আঁকেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আগে একটি কার্টুনের শিরোনাম লিখেছিলেন বলে লেখক মুশতাক আহমেদকে জেলখানায় নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছিল। গণঅভ্যুত্থানের সময় চিত্রশিল্পী দেবাশিস চক্রবর্তী অনেক কার্টুন ও পোস্টার এঁকেছেন। এগুলো গণঅভ্যুত্থানের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

তবে ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানে নাম-না-জানা শিল্পীরাই সবচেয়ে বেশি কার্টুন আর ব্যঙ্গচিত্র এঁকেছেন। আন্দোলন চলার সময়ে এঁকেছেন, আন্দোলনের পরেও এঁকেছেন। সবচেয়ে বেশি এঁকেছেন সারাদেশের দেয়ালে। এগুলোকে গ্রাফিতি বলা হয়। এর পাশাপাশি শিল্পীরা বিপুল ব্যঙ্গচিত্র ও মিম প্রচার করেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। স্বৈরশাসক সবার মুখ বন্ধ করে দিয়েছিল, কিন্তু কার্টুন-ব্যঙ্গচিত্র আর পোস্টার-মিমের মধ্য দিয়ে তার বিরুদ্ধে কথা বলা সম্ভব হয়েছিল। সারা দেশের দেয়াল জুড়ে আঁকা অসংখ্য গ্রাফিতি হয়ে উঠেছিল প্রতিবাদের ভাষা।

তাই আমাদের মনে রাখতে হবে, অন্যায়ের প্রতিবাদ শুধু লিখে বা কথা বলে নয় ছবি এঁকে, গান গেয়ে, এমনকি নৃত্য করেও করা যায়। এদেশের মানুষ যুগে যুগে নানা আন্দোলন-সংগ্রামে এমন প্রতিবাদ করেছেন। এইসব কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র ও পোস্টার তাই আমাদের ইতিহাসের সম্পদ। এগুলো আন্দোলনের স্মৃতি ধরে রাখবে, নতুন দিনের নতুন প্রয়োজনে আমাদের নতুনভাবে জাগিয়ে তুলবে।

Content added By

Related Question

View More

১৯৭১ সালে নিতুন কুন্ডুর আঁকা পোস্টারের বিষয় ছিল মুক্তিযুদ্ধে শত্রুদের বিরুদ্ধে বাংলার মুক্তিবাহিনীর সদা জাগ্রত থাকা।

উদ্দীপকের দেয়ালের চিত্রকর্ম এবং ‘কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র ও পোস্টারের ভাষা’ প্রবন্ধে বর্ণিত শিল্পকর্মের মধ্যে গভীর মিল রয়েছে। উভয় ক্ষেত্রেই চিত্রকর্ম, কার্টুন ও ব্যঙ্গচিত্র গণআন্দোলনের প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। প্রবন্ধে ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় দেয়ালে আঁকা গ্রাফিতিগুলোর কথা বলা হয়েছে, যা স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে জনমতের প্রকাশ ঘটায়। একইভাবে উদ্দীপকে রনির মামা দেয়ালের চিত্র দেখে আন্দোলনের প্রকৃতি উপলব্ধি করতে সক্ষম হন।

দুই ক্ষেত্রেই শিল্পীদের আত্মত্যাগের প্রসঙ্গ এসেছে। প্রবন্ধে দেখা যায়, অনেকে নির্যাতিত ও নিহত হয়েছেন, যেমন মুশতাক আহমেদ। উদ্দীপকেও দেখা যায়, চিত্রকর্মের অনেক স্রষ্টা নির্যাতনের শিকার হয়ে শহিদ বা পঙ্গু হয়েছেন।

সব মিলিয়ে বলা যায়, দেয়ালের চিত্রকর্ম, কার্টুন ও ব্যঙ্গচিত্র কেবল প্রতিবাদের ভাষাই নয়, বরং এগুলো ইতিহাস সংরক্ষণের শক্তিশালী মাধ্যম, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সচেতন ও অনুপ্রাণিত করবে।

উদ্দীপকের দেয়ালের চিত্রকর্ম এবং ‘কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র ও পোস্টারের ভাষা’ প্রবন্ধে বর্ণিত চিত্রশিল্পের মধ্যে একটি গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। উভয় ক্ষেত্রেই শিল্পকে গণআন্দোলনের ভাষা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এ ধরনের শিল্পকর্ম শুধুমাত্র সৃজনশীলতার বহিঃপ্রকাশ নয়, বরং তা জনসচেতনতা, প্রতিবাদ এবং প্রতিরোধের শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছে।

প্রবন্ধে উল্লেখ রয়েছে যে, ২০২৪ সালের গণআন্দোলনের সময় দেশের বিভিন্ন দেয়ালে অসংখ্য গ্রাফিতি, কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র ও পোস্টার আঁকা হয়েছিল। এসব চিত্রশিল্প স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশের একটি উপায় হয়ে উঠেছিল। শিল্পীরা তাদের রঙ, তুলি ও লেখার মাধ্যমে সমাজে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। এ চিত্রকর্মগুলো শুধুই নান্দনিকতা বা শৈল্পিক রুচির বহিঃপ্রকাশ ছিল না, বরং এগুলোর মধ্য দিয়ে জনগণের অভ্যন্তরীণ বেদনা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদের অনুভূতি ফুটে উঠেছে।

উদ্দীপকেও এই বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। রনির মামা বিদেশে থাকার কারণে আন্দোলনের প্রকৃত চিত্র উপলব্ধি করতে পারছিলেন না। তবে দেশে ফিরে তিনি যখন দেয়ালে আঁকা বিভিন্ন চিত্রকর্ম দেখেন, তখন তিনি উপলব্ধি করেন আন্দোলনটি কেবল রাজনৈতিক নয়, বরং এটি একটি সার্বজনীন গণপ্রতিরোধের রূপ ধারণ করেছে। তিনি এসব চিত্রের মাধ্যমে আন্দোলনের তীব্রতা ও জনগণের মনের অবস্থা অনুধাবন করতে সক্ষম হন।

উদ্দীপক এবং প্রবন্ধ উভয় ক্ষেত্রেই শিল্পীদের আত্মত্যাগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে। প্রবন্ধে উল্লেখ রয়েছে, অনেক শিল্পী রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, কারাবরণ করেছেন, এমনকি কেউ কেউ প্রাণও হারিয়েছেন। লেখায় মুশতাক আহমেদের মত সাহসী লেখক ও শিল্পীর উদাহরণ এসেছে, যিনি বাকস্বাধীনতার পক্ষে রুখে দাঁড়িয়ে প্রাণ দিয়েছেন। একইভাবে, উদ্দীপকে রনি তার মামাকে জানান যে, এসব চিত্রকর্মের স্রষ্টাদের অনেকে হয়রানি, নিপীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন অথবা শহিদ হয়েছেন।

সবশেষে বলা যায়, প্রবন্ধ ও উদ্দীপক উভয়ই একটি অভিন্ন বস্তুর আলোকপাত করেছে—শিল্প এবং প্রতিবাদ একে অপরের পরিপূরক। দেয়ালের চিত্রকর্ম, কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র ও পোস্টার কেবল মুহূর্তের আবেগ নয়; বরং এগুলো ইতিহাস সংরক্ষণের এক অমূল্য দলিল। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এসব শিল্পকর্মের মাধ্যমে একটি জাতির সংগ্রাম, সাহস ও আত্মত্যাগের ইতিহাস জানতে পারবে এবং প্রেরণা নিতে পারবে। সুতরাং, প্রবন্ধ ও উদ্দীপকের মধ্যে গভীর ভাবসম্পৃক্ততা বিদ্যমান, যা গণআন্দোলনের চিত্র ও আত্মার প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

'দেশ আজ বিশ্ব বেহায়ার খপ্পরে' শিরোনামে ব্যঙ্গচিত্র এঁকেছিলেন পটুয়া কামরুল হাসান।

চিত্রশিল্পীরা কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র ও পোস্টার আঁকার মাধ্যমে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন।

পৃথিবীর অনেক দেশে নানা সময় স্বৈরাচারী সরকার মাথাচাড়া দিয়ে উঠে জনগণকে শোষণ করে। তখন সময়ের প্রয়োজনে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। এসব আন্দোলনে সবার পাশাপাশি চিত্রশিল্পীরাও অংশগ্রহণ করেন। তাঁরা একদিকে যেমন মানুষের সঙ্গে মিছিল-মিটিং করেন, নানা কর্মসূচি পালন করেন অন্যদিকে তাঁরা আবার তাঁদের আঁকা কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র ও পোস্টারের মাধ্যমে আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

তাঁদের আঁকা ছবিগুলো আন্দোলনকে অনেক শক্তিশালী করে।

উদ্দীপকের চিত্রটি 'কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র ও পোস্টারের ভাষা' রচনার কার্টুনের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

আন্দোলন-সংগ্রাম ও গণঅভ্যুত্থানে কার্টুন খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর মাধ্যমে অনেক বড়ো ও ব্যাপক ভাব অতি অল্প কথায় প্রকাশ করা যায়।

এটি অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে খুবই কার্যকর একটি মাধ্যম।

উদ্দীপকের চিত্রে কিছু লেখা ও কিছু মানুষের কর্মকান্ড দেখা যাচ্ছে। চিত্রে মূলত একটি নির্বাচনের প্রেক্ষাপটকে তুলে ধরা হয়েছে। একজন ভোট দিচ্ছেন আর চিন্তা করছেন সেই ভোট তাকে মুলা দেবে নাকি বাঁশ দেবে। আর অন্যজনকে একজন ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। কয়েকটি চরিত্রের মাধ্যমে একটি বিষয়কে ফুটিয়ে তোলার এ দিকটি কার্টুনকে নির্দেশ করে যা 'কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র ও পোস্টারের ভাষা' রচনায়ও ফুটে উঠেছে। এ রচনায় সমাজের বিভিন্ন বিষয় মানুষের সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে কার্টুনের নানা গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন-সংগ্রামে আঁকা কার্টুন নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের চিত্রটি 'কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র ও পোস্টারের ভাষা' রচনার কার্টুনের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...